বিএনপির
স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিষ্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া অভিযোগ করেছেন,
ক্ষমতাসীন সরকার ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য ইয়াহিয়ার মত আচরন করছে।
তিনি বলেন, ‘একাত্তরে ইয়াহিয়া খান ক্ষমতা আকড়ে থাকার জন্য যেভাবে হানাদার বাহিনীকে ব্যবহার করেছিলো, এখন সরকার পুলিশ বাহিনীকে জনগণের বিরুদ্ধে সেভাবেই ব্যবহার করছে।’
রোববার বিকেলে রাজধানীতে জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এক বুদ্ধিজীবী সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।
সরকারকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, ‘এ অবস্থা থেকে সরে আসুন, তা না হলে দেশের সব রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা ধ্বংস হয়ে যাবে।’ পুলিশ বাহিনীকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহারেরও অভিযোগ আনেন তিনি।
দ্রুত বিচার আইনের মেয়াদ বৃদ্ধির সমালোচনা করে রফিকুল বলেন, যে সংসদের বৈধতা নেই, সেই সংসদে দ্রুত বিচার আইনের মেয়াদ বৃদ্ধির কোনো কার্যকরিতা নেই। আওয়ামী লীগ এখন সেই আইনকে বিরোধী দল দমনে ব্যবহার করছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
এ সময় দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ সকল স্তরের নেতাকর্মীদের মুক্তি দাবি করেন বিএনপির এ নেতা।
দেশের স্বার্থ জলাঞ্জলি দিয়ে ভারতকে করিডোর দেয়া হয়েছে-অভিযোগ করে রফিকুল ইসলাম বলেন, পাশ্ববর্তী দেশকে বিদ্যুৎ করিডোর দিয়ে দেশ লাভবান না হলে এর দায় সরকারকে নিতে হবে। তিস্তার পানি না দিলে ভারতকে কোনো প্রকার সুবিধা না দেয়ারও আহ্বান জানান তিনি।
বিএনপির এ নেতা বলেন, ‘৫ জানুয়ারির অবৈধ নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় বসে সরকার এখন ২০৪১ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকার স্বপ্ন দেখছে। অথচ নির্বাচনের আগে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল ১০ম সংসদ নির্বাচনের পর নির্বাচন বিষয়ে আলোচনা করা যাবে। কিন্তু নির্বাচনের পর সরকার তার আগের অবস্থান থেকে সরে এসেছে। এর একমাত্র লক্ষ্য হচ্ছে, একদলীয় শাসনকে দীর্ঘায়িত করা।’
নির্বাচন কমিশনের সমালোচনা করে রফিকুল ইসলাম বলেন, প্রথম দফা উপজেলা নির্বাচনে আওয়ামী লীগ জনগণের ৩৩ ভাগ সমর্থন পেয়োছিল। অথচ শেষ পর্যায়ের উপজেলা নির্বাচনে তাদের জনসমর্থন বেড়ে হয়ে গেল ৭০ ভাগ। মাত্র প্রায় এক মাসের মধ্যে কিভাবে আওয়ামী লীগের জনপ্রিয়তা এভাবে বেড়ে গেলো-প্রশ্ন তোলেন তিনি। নির্বাচন কমিশনকে এজন্য জনগণের কাছে জবাব করতে হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির এ সদস্য।
তিনি বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনের আচরণে প্রমাণ হয়েছে আওয়ামী লীগের আমলে কোনো সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। এজন্য আগামীতে দেশের যেকোনো নির্বাচন নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনেই হতে হবে।’
সেজন্য দেশের সকল শ্রেনীর নাররিককে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের জন্য রাস্তায় নামারও আহ্বান জানান তিনি।
বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের বিরুদ্ধে চার্জ গঠনের প্রতিবাদ এবং দলের শীর্ষ নেতাদের মুক্তি দাবিতে জিয়া পরিষদ এই সমাবেশের আয়োজন করে। সংগঠনের সহ-সভাপতি ডা. আবদুল কুদ্দুসের সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন অধ্যাপক ড. শফিকুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. এমতাজ হোসেন প্রমূখ। - See more at: http://www.risingbd.com/detailsnews.php?nssl=648cbc29675eff7e6f337ffc66c907de#sthash.4BTxQ4Pc.dpuf
তিনি বলেন, ‘একাত্তরে ইয়াহিয়া খান ক্ষমতা আকড়ে থাকার জন্য যেভাবে হানাদার বাহিনীকে ব্যবহার করেছিলো, এখন সরকার পুলিশ বাহিনীকে জনগণের বিরুদ্ধে সেভাবেই ব্যবহার করছে।’
রোববার বিকেলে রাজধানীতে জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এক বুদ্ধিজীবী সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।
সরকারকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, ‘এ অবস্থা থেকে সরে আসুন, তা না হলে দেশের সব রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা ধ্বংস হয়ে যাবে।’ পুলিশ বাহিনীকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহারেরও অভিযোগ আনেন তিনি।
দ্রুত বিচার আইনের মেয়াদ বৃদ্ধির সমালোচনা করে রফিকুল বলেন, যে সংসদের বৈধতা নেই, সেই সংসদে দ্রুত বিচার আইনের মেয়াদ বৃদ্ধির কোনো কার্যকরিতা নেই। আওয়ামী লীগ এখন সেই আইনকে বিরোধী দল দমনে ব্যবহার করছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
এ সময় দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ সকল স্তরের নেতাকর্মীদের মুক্তি দাবি করেন বিএনপির এ নেতা।
দেশের স্বার্থ জলাঞ্জলি দিয়ে ভারতকে করিডোর দেয়া হয়েছে-অভিযোগ করে রফিকুল ইসলাম বলেন, পাশ্ববর্তী দেশকে বিদ্যুৎ করিডোর দিয়ে দেশ লাভবান না হলে এর দায় সরকারকে নিতে হবে। তিস্তার পানি না দিলে ভারতকে কোনো প্রকার সুবিধা না দেয়ারও আহ্বান জানান তিনি।
বিএনপির এ নেতা বলেন, ‘৫ জানুয়ারির অবৈধ নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় বসে সরকার এখন ২০৪১ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকার স্বপ্ন দেখছে। অথচ নির্বাচনের আগে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল ১০ম সংসদ নির্বাচনের পর নির্বাচন বিষয়ে আলোচনা করা যাবে। কিন্তু নির্বাচনের পর সরকার তার আগের অবস্থান থেকে সরে এসেছে। এর একমাত্র লক্ষ্য হচ্ছে, একদলীয় শাসনকে দীর্ঘায়িত করা।’
নির্বাচন কমিশনের সমালোচনা করে রফিকুল ইসলাম বলেন, প্রথম দফা উপজেলা নির্বাচনে আওয়ামী লীগ জনগণের ৩৩ ভাগ সমর্থন পেয়োছিল। অথচ শেষ পর্যায়ের উপজেলা নির্বাচনে তাদের জনসমর্থন বেড়ে হয়ে গেল ৭০ ভাগ। মাত্র প্রায় এক মাসের মধ্যে কিভাবে আওয়ামী লীগের জনপ্রিয়তা এভাবে বেড়ে গেলো-প্রশ্ন তোলেন তিনি। নির্বাচন কমিশনকে এজন্য জনগণের কাছে জবাব করতে হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির এ সদস্য।
তিনি বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনের আচরণে প্রমাণ হয়েছে আওয়ামী লীগের আমলে কোনো সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। এজন্য আগামীতে দেশের যেকোনো নির্বাচন নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনেই হতে হবে।’
সেজন্য দেশের সকল শ্রেনীর নাররিককে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের জন্য রাস্তায় নামারও আহ্বান জানান তিনি।
বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের বিরুদ্ধে চার্জ গঠনের প্রতিবাদ এবং দলের শীর্ষ নেতাদের মুক্তি দাবিতে জিয়া পরিষদ এই সমাবেশের আয়োজন করে। সংগঠনের সহ-সভাপতি ডা. আবদুল কুদ্দুসের সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন অধ্যাপক ড. শফিকুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. এমতাজ হোসেন প্রমূখ। - See more at: http://www.risingbd.com/detailsnews.php?nssl=648cbc29675eff7e6f337ffc66c907de#sthash.4BTxQ4Pc.dpuf

No comments:
Post a Comment
Thanks for your Comment.