সাড়ে
৮ হাজার গ্র্যাজুয়েটের পদচারণে মুখর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস।
পছন্দের বন্ধু-বান্ধবীদের সঙ্গে ছবি তোলার মজা উপভোগ করছেন সবাই। ছয়-সাত
বছরের জমানো কথা নিয়ে এরই মধ্যে বন্ধুদের মধ্যে জমে উঠেছে আড্ডা।
ঢাবি ক্যাম্পাসের কার্জন হল, অপরাজেয় বাংলা, কলা ভবন, ডাকসু, শহিদমিনার, মল চত্বর, রাজু ভাস্কর্য ও টিএসসিসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোয় নিজেদের ফ্রেমবন্দি করে নিচ্ছেন সবাই।
সকাল ৮টা থেকে ক্যাম্পাসে ঘুরে বেড়াচ্ছেন গ্র্যাজুয়েটরা। ক্যাম্পাসে দীর্ঘ ছয়-সাত বছর ক্লাস-পরীক্ষার ব্যস্ত সময়ের পর আনুষ্ঠানিকভাবে সনদপত্র নেওয়ার আনন্দে বন্ধুরা মিলে আড্ডা ও ফটোসেশনে ব্যস্ত রয়েছেন সারাটা দিন। আনন্দঘন এ সময়টুকুকে ক্যামেরাবন্দি করার সুযোগ হাতছাড়া করতে কেউই রাজি নন। সম্মিলিতি শপথে তারা আওয়াজ তুলেছেন ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ গড়ার, পেশাগত জীবনে দুর্নীতিমুক্ত থাকার।
বিশ্ববিদ্যালয়জীবনের বর্ণিল সময়ের চূড়ান্ত আয়োজনে মিলিত হয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্র্যাজুয়েটরা। কালো রঙের গাউন, টাই আর ক্যাপ পরিহিত অবস্থায় প্রত্যেকেই। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রবেশপথগুলোতেও সাজানো হয়েছে রং-বেরঙের তোরণ। জিমনেসিয়াম মাঠ জুড়ে বিশাল শামিয়ানা টানানো হয়েছে। বেলুন, ফেস্টুনসহ বর্ণিল সাজে সাজানো হয়েছে সমাবর্তনস্থল। সেই সঙ্গে নেওয়া হয়েছে কড়া নিরাপত্তাব্যবস্থা। সমাবর্তনের সার্বিক নিরাপত্তার জন্য পুলিশ, এসএসএফ, র্যাবসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডিও তৎপর রয়েছে। আর তাদের সঙ্গে স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে কাজ করছে রোভার স্কাউট গ্রুপ, রেঞ্জার গ্রুপ, বিএনসিসিসহ নানা স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন।
ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী রাইসুল ইসলাম মাসুম তার বন্ধু মিথুন, সায়মা, রফিক, ইশতেয়াক ও হোমায়রার সঙ্গে ছবি তুলছিলেন কলা অনুষদের সামনে। কথা হলো তার সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় জীবন শেষ করলাম। কিন্তু এখন পুরোনো দিনগুলোকে মনে পড়ছে আরো বেশি। বিশেষ করে, হল লাইফ। এ সময়ে আনন্দ-বেদনাসহ নানা স্মৃতি রয়েছে, যেগুলো এখন প্রতিনিয়ত নাড়া দেয়। সত্যি বলতে কি, খুব কষ্ট হচ্ছে হল লাইফের কথা মনে পড়ে।’
সায়মা বলেন, ‘এটা তো শুধু ডিগ্রি অর্জন নয়, বিশ্ববিদ্যালয়জীবনের সমাপ্তিও বটে। তাই কষ্ট হচ্ছে। সত্যিই বিশ্ববিদ্যালয়জীবন খুব মজার, যা কল্পনা করা যায় না। এখন চিন্তা, ভবিষ্যৎ নিয়ে কী করা যায় দেশ ও দশের জন্য। পাশাপাশি নিজের গুণগত মান বজায় রাখার চেষ্টা। এক প্রকার জীবনযুদ্ধের আরেক সংগ্রাম বলা যায়।’
ঢাবি সমাবর্তনের ইতিহাস
১৯২১ সালের ১ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর ব্রিটিশ আমলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বপ্রথম নিয়মিত সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হয় ১৯২৩ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি। এরপর ১৯২৪ থেকে ১৯৪৬ সাল পর্যন্ত প্রতিবছরই (সর্বমোট ২৪ বার) সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হয়। ব্রিটিশ আমলে শেষ সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৪৬ সালের ২১ নভেম্বর। পাকিস্তান আমলে ঢাবির প্রথম সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৪৮ সালের ২৪ মার্চ।
এরপর ১৯৭০ সাল পর্যন্ত আরো ১৫ বার সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হয়। সর্বশেষ সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭০ সালের ৮ মার্চ; সেটি ছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৯তম সমাবর্তন। বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর প্রথমবারের মতো (৪০তম) সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৯৯ সালের ১৮ ডিসেম্বর। ওই সমাবর্তনে বাংলাদেশ সরকারের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং নোবেলবিজয়ী অধ্যাপক অমর্ত্য সেনকে সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রিতে ভূষিত করা হয়। এরপর দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ, পঞ্চম, ষষ্ঠ, সপ্তম ও অষ্টম বারের মতো সমাবর্তন যথাক্রমে ২০০১, ২০০৪, ২০০৭, ২০০৮, ২০০৯, ২০১২ ও ২০১৩ সালে অনুষ্ঠিত হয়। এসব সমাবর্তনে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী ড. মাহাথির বিন মোহাম্মদ, শান্তির জন্য নোবেল পুরস্কারে ভূষিত অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস, ভাষাসৈনিক আ ন ম গাজীউল হক ও ভাষাসৈনিক আবদুল মতিন, নোবেল বিজয়ী বিজ্ঞানী অধ্যাপক ইউয়ান টি লি, বিশ্ববিখ্যাত বিজ্ঞানী অধ্যাপক আবুল হুসসাম ও প্রসিদ্ধ ইতিহাসবিদ অধ্যাপক রণজিৎ গুহ, বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার মহাসচিব প্যাসকেল ল্যামি ও ইউনেসকোর মহাপরিচালক ইরিনা বোকাভোকে সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি প্রদান করা হয়।
এ ছাড়া বিশেষ সমাবর্তনের মাধ্যমে ১৯৯৩ সালে উপমহাদেশের বিশিষ্ট বিজ্ঞানী নোবেল বিজয়ী অধ্যাপক আবদুস সালাম, ১৯৯৭ সালে ইউনেসকোর ডিরেক্টর জেনারেল ড. ফেডারিকো মায়ার, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট ড. আবদুল্লাহ গুল এবং জাতিসংঘের মহাসচিব বান কি মুনকে সম্মানসূচক ডক্টর ডিগ্রিতে ভূষিত করা হয়। সর্বশেষ গত ৪৭তম সমাবর্তনের মাধ্যমে ভারতে রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জিকে ডক্টরেট অব ল’ ডিগ্রি প্রদান করা হয়।
সমাবর্তনের সার্বিক প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এ বিষয়ে ঢাবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক বলেন, ঢাবির ৪৮তম সমাবর্তনের সার্বিক প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। সমাবর্তন সোমবার দুপুর ১২টায় শুরু হবে। এবারের সমাবর্তনের মোট ৮ হাজার ৩১২ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে পুরুষ গ্র্যাজুয়েট ৪ হাজার ১৫ জন এবং নারী গ্র্যাজুয়েট ৪ হাজার ২৯৭ জন।
উপাচার্য বলেন, এবারের সমাবর্তনে বক্তা হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ইউরোপিয়ান অর্গানাইজেশন ফর নিউক্লিয়ার রিসার্সের (সার্ন) মহাপরিচালক অধ্যাপক রোলফ হুয়ের। সমাবর্তনের বক্তৃতার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে তাকে সম্মানসূচক ডক্টর অব সায়েন্স ডিগ্রি প্রদান করা হবে।
- See more at: http://www.risingbd.com/detailsnews.php?nssl=5a245e9a52805642a6a095aeb71ee307#sthash.4dK4WZIs.dpuf
ঢাবি ক্যাম্পাসের কার্জন হল, অপরাজেয় বাংলা, কলা ভবন, ডাকসু, শহিদমিনার, মল চত্বর, রাজু ভাস্কর্য ও টিএসসিসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোয় নিজেদের ফ্রেমবন্দি করে নিচ্ছেন সবাই।
সকাল ৮টা থেকে ক্যাম্পাসে ঘুরে বেড়াচ্ছেন গ্র্যাজুয়েটরা। ক্যাম্পাসে দীর্ঘ ছয়-সাত বছর ক্লাস-পরীক্ষার ব্যস্ত সময়ের পর আনুষ্ঠানিকভাবে সনদপত্র নেওয়ার আনন্দে বন্ধুরা মিলে আড্ডা ও ফটোসেশনে ব্যস্ত রয়েছেন সারাটা দিন। আনন্দঘন এ সময়টুকুকে ক্যামেরাবন্দি করার সুযোগ হাতছাড়া করতে কেউই রাজি নন। সম্মিলিতি শপথে তারা আওয়াজ তুলেছেন ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ গড়ার, পেশাগত জীবনে দুর্নীতিমুক্ত থাকার।
বিশ্ববিদ্যালয়জীবনের বর্ণিল সময়ের চূড়ান্ত আয়োজনে মিলিত হয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্র্যাজুয়েটরা। কালো রঙের গাউন, টাই আর ক্যাপ পরিহিত অবস্থায় প্রত্যেকেই। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রবেশপথগুলোতেও সাজানো হয়েছে রং-বেরঙের তোরণ। জিমনেসিয়াম মাঠ জুড়ে বিশাল শামিয়ানা টানানো হয়েছে। বেলুন, ফেস্টুনসহ বর্ণিল সাজে সাজানো হয়েছে সমাবর্তনস্থল। সেই সঙ্গে নেওয়া হয়েছে কড়া নিরাপত্তাব্যবস্থা। সমাবর্তনের সার্বিক নিরাপত্তার জন্য পুলিশ, এসএসএফ, র্যাবসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডিও তৎপর রয়েছে। আর তাদের সঙ্গে স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে কাজ করছে রোভার স্কাউট গ্রুপ, রেঞ্জার গ্রুপ, বিএনসিসিসহ নানা স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন।
ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী রাইসুল ইসলাম মাসুম তার বন্ধু মিথুন, সায়মা, রফিক, ইশতেয়াক ও হোমায়রার সঙ্গে ছবি তুলছিলেন কলা অনুষদের সামনে। কথা হলো তার সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় জীবন শেষ করলাম। কিন্তু এখন পুরোনো দিনগুলোকে মনে পড়ছে আরো বেশি। বিশেষ করে, হল লাইফ। এ সময়ে আনন্দ-বেদনাসহ নানা স্মৃতি রয়েছে, যেগুলো এখন প্রতিনিয়ত নাড়া দেয়। সত্যি বলতে কি, খুব কষ্ট হচ্ছে হল লাইফের কথা মনে পড়ে।’
সায়মা বলেন, ‘এটা তো শুধু ডিগ্রি অর্জন নয়, বিশ্ববিদ্যালয়জীবনের সমাপ্তিও বটে। তাই কষ্ট হচ্ছে। সত্যিই বিশ্ববিদ্যালয়জীবন খুব মজার, যা কল্পনা করা যায় না। এখন চিন্তা, ভবিষ্যৎ নিয়ে কী করা যায় দেশ ও দশের জন্য। পাশাপাশি নিজের গুণগত মান বজায় রাখার চেষ্টা। এক প্রকার জীবনযুদ্ধের আরেক সংগ্রাম বলা যায়।’
ঢাবি সমাবর্তনের ইতিহাস
১৯২১ সালের ১ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর ব্রিটিশ আমলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বপ্রথম নিয়মিত সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হয় ১৯২৩ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি। এরপর ১৯২৪ থেকে ১৯৪৬ সাল পর্যন্ত প্রতিবছরই (সর্বমোট ২৪ বার) সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হয়। ব্রিটিশ আমলে শেষ সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৪৬ সালের ২১ নভেম্বর। পাকিস্তান আমলে ঢাবির প্রথম সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৪৮ সালের ২৪ মার্চ।
এরপর ১৯৭০ সাল পর্যন্ত আরো ১৫ বার সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হয়। সর্বশেষ সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭০ সালের ৮ মার্চ; সেটি ছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৯তম সমাবর্তন। বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর প্রথমবারের মতো (৪০তম) সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৯৯ সালের ১৮ ডিসেম্বর। ওই সমাবর্তনে বাংলাদেশ সরকারের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং নোবেলবিজয়ী অধ্যাপক অমর্ত্য সেনকে সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রিতে ভূষিত করা হয়। এরপর দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ, পঞ্চম, ষষ্ঠ, সপ্তম ও অষ্টম বারের মতো সমাবর্তন যথাক্রমে ২০০১, ২০০৪, ২০০৭, ২০০৮, ২০০৯, ২০১২ ও ২০১৩ সালে অনুষ্ঠিত হয়। এসব সমাবর্তনে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী ড. মাহাথির বিন মোহাম্মদ, শান্তির জন্য নোবেল পুরস্কারে ভূষিত অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস, ভাষাসৈনিক আ ন ম গাজীউল হক ও ভাষাসৈনিক আবদুল মতিন, নোবেল বিজয়ী বিজ্ঞানী অধ্যাপক ইউয়ান টি লি, বিশ্ববিখ্যাত বিজ্ঞানী অধ্যাপক আবুল হুসসাম ও প্রসিদ্ধ ইতিহাসবিদ অধ্যাপক রণজিৎ গুহ, বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার মহাসচিব প্যাসকেল ল্যামি ও ইউনেসকোর মহাপরিচালক ইরিনা বোকাভোকে সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি প্রদান করা হয়।
এ ছাড়া বিশেষ সমাবর্তনের মাধ্যমে ১৯৯৩ সালে উপমহাদেশের বিশিষ্ট বিজ্ঞানী নোবেল বিজয়ী অধ্যাপক আবদুস সালাম, ১৯৯৭ সালে ইউনেসকোর ডিরেক্টর জেনারেল ড. ফেডারিকো মায়ার, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট ড. আবদুল্লাহ গুল এবং জাতিসংঘের মহাসচিব বান কি মুনকে সম্মানসূচক ডক্টর ডিগ্রিতে ভূষিত করা হয়। সর্বশেষ গত ৪৭তম সমাবর্তনের মাধ্যমে ভারতে রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জিকে ডক্টরেট অব ল’ ডিগ্রি প্রদান করা হয়।
সমাবর্তনের সার্বিক প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এ বিষয়ে ঢাবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক বলেন, ঢাবির ৪৮তম সমাবর্তনের সার্বিক প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। সমাবর্তন সোমবার দুপুর ১২টায় শুরু হবে। এবারের সমাবর্তনের মোট ৮ হাজার ৩১২ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে পুরুষ গ্র্যাজুয়েট ৪ হাজার ১৫ জন এবং নারী গ্র্যাজুয়েট ৪ হাজার ২৯৭ জন।
উপাচার্য বলেন, এবারের সমাবর্তনে বক্তা হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ইউরোপিয়ান অর্গানাইজেশন ফর নিউক্লিয়ার রিসার্সের (সার্ন) মহাপরিচালক অধ্যাপক রোলফ হুয়ের। সমাবর্তনের বক্তৃতার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে তাকে সম্মানসূচক ডক্টর অব সায়েন্স ডিগ্রি প্রদান করা হবে।
- See more at: http://www.risingbd.com/detailsnews.php?nssl=5a245e9a52805642a6a095aeb71ee307#sthash.4dK4WZIs.dpuf

No comments:
Post a Comment
Thanks for your Comment.